ফ্রান্সের মার্সেলি থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত ২০,০০০
কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন ক্যাবল South East Asia-Middle East-Western
Europe-5 (SEA-ME-WE-5) । ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি স্থাপনের কাজ শুরু
হয়। আর ১৫ ডিসেম্বর ২০১৬ তে শেষ হয় এর নির্মাণ কাজ। আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার
দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি
২০০ জিবিপিএস। নতুন সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হওয়ায় এখন আরও ১৩০০ জিবিপিএস
ব্যান্ডউইথ পাওয়া যাবে। বিকল্প সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ স্থাপন, আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সংখ্যা ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহের সক্ষমতা বৃদ্ধির
লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত হয়েছে।
(SEA-ME-WE-5)
South East Asia-Middle East-Western Europe-5 (SEA-ME-WE-5) সাবমেরিন ক্যাবলটি ১৮টি দেশের ১৯টি ল্যান্ডিং ষ্টেশনে যুক্ত। বাংলাদেশের
প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল SEA-ME-WE-4-এর চেয়েও এটা ১০ গুন বেশি শক্তিশালী। ১০০ জি আলোক
তরঙ্গের ডিডব্লিউডিএম প্রযুক্তি ব্যবহার করা এ সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যান্ডউইথ সরবরাহের
ক্ষমতা ২৪ টেরাবিটস পার সেকেন্ড (টিবিপিএস)।
বাংলাদেশের ল্যান্ডিং ষ্টেশনে
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলি ইউনিয়নের গোড়া
আমখোলা পাড়া গ্রামে অবস্থিত।
তথ্যঃ কারেন্ট_অ্যাফেয়ার্স_জানুয়ারি_২০১৭


3 Comments
আর ও আপডেট দেওয়ার চেষ্টা করুন,,,
ReplyDeleteঅনেক কিছু জানলাম।https://hmasadsaife869.blogspot.com/
ReplyDeletehttps://hmasadsaife869.blogspot.com/
ReplyDelete